আমি Maximum time e Bike নিয়ে Tour করি, বকখালি টা এত দিন bridge এর জন্য bike যেতে পারিনি এখন চালু হয়ে গেছে তাই ঘুরে এলাম, এই গরমে হালকা বৃষ্টি তে বেশ ভালোই লাগলো.
Henry Island
Get real visiting experiences from the travelers
আমি Maximum time e Bike নিয়ে Tour করি, বকখালি টা এত দিন bridge এর জন্য bike যেতে পারিনি এখন চালু হয়ে গেছে তাই ঘুরে এলাম, এই গরমে হালকা বৃষ্টি তে বেশ ভালোই লাগলো.
Henry Island
আপনারা অনেকেই দেখছি এই pandemic এ ঘরবন্দী হয়ে বিরক্ত। আসুন একটু সুন্দরবন ঘুরে আসি ছবির মাধ্যমে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে চিহ্নিত এই ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট আজ না থাকলে আমরা থাকতাম না।আইলা, বুলবুল, আম্ফান এই সবের সাক্ষী এই ফরেস্ট। একাধিক বার বাঁচিয়েছে আমাদের বিপর্যয় থেকে। আমরা তার দেখাশোনা করলে ভবিষৎ এও বাঁচাবে।


ঘুম ভাঙলো খুব সকালে, আলোর আভা পেলেও সূর্য এখনো ওঠেনি। নৌকা একটা নদীর একপাশে নোঙ্গর করা। 'সুদাম' চা বানিয়ে হাতে ধরালো, এক চুমুক মারতেই, ব্যাস, তৎক্ষণাৎ নিম্নচাপ এসে হাজির। নৌকোর পিছনে ছোট ঘেরা জায়গাও আছে, ক্রিয়াকর্ম করার। স্মার্টলি গামছা পরে ভিতরে মাথা নিচু করে ঢুকেই আত্মারাম খাঁচা। মধ্যিখানে ছোট গর্ত, আর দুদিকে পা রাখার জায়গা প্রায় নেই। গর্ত দিয়ে নদীর জল দেখতে পাচ্ছি। সাঁতার জানি না, ঘাবড়ে গিয়ে প্রেসার হাওয়া। ফেরত চলে এলাম। সুদামকে কাছে টেনে বললাম, হবে না, ভাই, কিছু কর। সঙ্গে সঙ্গে সুদাম
সাল 2007, কোম্পানির টার্গেট করতে পারার জন্য স্টাফদের( দুজন) নিয়ে সুন্দরবন যাবো, ওটাই শর্ত ছিল।
গত ডিসেম্বর ঘুরে এলাম সুন্দরবন। আমাদের, যাদের 'বাহিরপানে চোখ মেলেছি ' মানসিকতা, তাদের ছটফটানি যেন আরও বেশি। অবশ্য ভিতরপানেও চেয়েছি। আমরা, যারা অফিসে কর্মরতা, তারা দশভুজা না হোক দ্বিভুজা হয়েই সমান দক্ষতায় অফিস ও বাড়ী সামলেছি। তেমনই একজন দক্ষ ও staminaওয়ালা মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছিল সুমেলী টিনা।ওর সাথে এ বছর জানুয়ারিতে দারি়ংবাড়ী গিয়ে বড় ভালো লেগেছিল। তাই এবার সুন্দরবন ভ্রমণ এর কথা বলতেই এক পায়ে খাড়া !
বিস্তীর্ণ নদীতে সুন্দরবনের চরদ্বীপআমি আর আমার স্ত্রী অক্টোবর এর 14th এ একদিনের জন্য মৌসুনী দ্বীপ থেকে ঘুরে এসেছিলাম.থাকার জন্য বুক করেছিলাম স্যান্ড ক্যাসল বিচ ক্যাম্প এ mudhouse. এখানে বলে রাখি এই ক্যাম্পের কর্ণধার অভিষেক দার ব্যবহার খুব ভালো লেগেছে
মৌসুনী বিচক্যাম্পে থাকাকালীন উনি সব সময় ফোন করে খবর নিতেন আর যাওয়ার আগেও সব বিষয়ে হেল্প করেছেন . 14th অক্টোবর এস্প্লানেড থেকে wbtc এর বকখালি volvo বাস ধরে চলে গেলাম সাতমাইল বাজার.সেখানে নেমে টোটো করে হুজ্জুতের ঘাট
ম্যানগ্রোভসেখান থেকে ভটভটি তে চিনাই নদী পার করলাম,মৌসুনী তে নেমে টোটো বুক করে পৌছালাম ক্যাম্পে.বিচ এর ধার ধরে হেটে চলে গেলাম ক্যাম্পে.ক্যাম্পে ঢুকেই মন টা খুশি হয়ে গেলো কারণ এত সুন্দর করে সাজানো জায়গা টা. Mudhouse বুক করেছিলাম আর তাতে টয়লেট সংযুক্ত.রুম টা খুব ই ভালো ছিল.
Mud House
একটু পরেই বেরিয়ে লাঞ্চ করলাম.ভাত ,dal,চিংড়ি ,মাছের মালাইকারি,চাটনি ,পাঁপড় ,মিষ্টি সমেত.খাবার খুব ভালো লেগেছে আমার.ক্যাম্প এর সকল কর্মচারী ই খুব ভালো আর ফ্রেন্ডলি.বিচের ওদিকে একটু এগিয়ে আবার ফিরে এলাম কারণ খুব কড়া রোদ ছিল.কিন্তু বিচ টা দেখে খুব ভালো লাগলো কারণ এরম পরিষ্কার আর নিরিবিলি বিচ দেখা যায়না.

রুমে ঢুকে একটা জব্বরদস্ত ঘুম দিলাম.সূর্যাস্তের আগেই গিয়ে দাঁড়ালাম বিচে.খুব সুন্দর সূর্যাস্তের সাক্ষী হলাম দুজনেই.কিছু ছবি তুলে চলে এলাম এর পর ক্যাম্পে.অভিষেক দা কে আগেই চিকেন বার্বিকিউ র কথা বলে রেখেছিলাম.তার সাথে যোগ করলাম কাঁকড়ার অনুরোধ.সত্যি বলছি ওতো সুন্দর কাঁকড়া কারি কম খেয়েছি.চিকেন berbecue tao দারুন ছিল.

খেয়ে ক্যাম্পের সামনেই বসে রাতের নিস্তব্দ সমুদ্রের সৌন্দর্য উপভোগ করলাম.অসাধারণ অভিজ্ঞতা.রাতে ভাত ,মাংস দিয়ে দুর্দান্ত ডিনার সারলাম. পরদিন সকালে উঠে বিচে গিয়ে অনেক ছবি তুললাম.এরপর লুচি ,তরকারি ,ডিম সিদ্ধ দিয়ে ব্রেকফাস্ট সেরে ক্যাম্পের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ জানিয়ে বেরিয়ে পড়লাম বাড়ির উদ্দেশ্যে.সাথে রইলো অসাধারণ একটি দিনের অভিজ্ঞতা আর এক রাশ সুখ স্মৃতি.ফিরলাম ও WBTC র বাসে করে.বাস গুলো সত্যি খুব আরামদায়ক. এক দিনের জন্য ঘুরে আসতেই পারেন মৌসুনী থেকে.নেহাত মন্দ লাগবে না.