সিকিম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অনেকের আছে, তাই একটু ছোট করে আমার জীবনের প্রথম উত্তর/উত্তর-পূর্ব ভারত ভ্রমণের বর্ণনা করলাম।

Get real visiting experiences from the travelers
সিকিম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অনেকের আছে, তাই একটু ছোট করে আমার জীবনের প্রথম উত্তর/উত্তর-পূর্ব ভারত ভ্রমণের বর্ণনা করলাম।

সান্দাকুফু ট্রেক পর্ব 1
13th ডিসেম্বর 2020
ডুয়ার্স এর ঘোরার জায়গাগুলোর মধ্যে আমার কাছে চিলাপাতা অনেকটাই নীচের দিকে ছিল। কিন্তু বর্ষশেষে যখন থাকার জায়গা পাওয়া গেছে তখন খানিক নিমরাজি হয়েই যেতে হল। অর্কিড হোমস্টে পৌঁছে সবথেকে আগে চোখ টেনে নিল সামনে বিশাল মাঠ, আরে তারপরেই জঙ্গল শুরু। বাঙ্গালীর দুর্বলতা আমার মতে গরম এক কাপ চা। ঢুকতে না ঢুকতেই অসাধারণ চা পাওয়া গেল। আতিথেয়তা আর রান্না দুটোই দারুন। পরদিন সকালের সাফারিতে গেলাম। জঙ্গলের গন্ধ মাখা আর কুয়াশা ঘেরা পথের আনন্দ মেখে ফিরে আবার বেরলাম ওই মাঠ ধরে জঙ্গলের সীমানায়। এই মাঠে নাকি সন্ধ্যেবেলায় হাতির দল আসে। ভাগ্যক্রমে তাদের দেখা পাইনি, তবে পেলাম বেশ কিছু ময়ূর আর একটা মিষ্টি হরিণ।
তাকদা, তিনচুলে, লামাহাটা দার্জিলিং শহরের ছোট্ট ছোট্ট এই গ্রামগুলি কে প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়েছে, এখানকার পাহাড়ি সৌন্দর্য যেকোনো হিল এরিয়ার সৌন্দর্যের থেকে কোন অংশে কম নয়..
দার্জিলিং থেকে তাকদা যাওয়ার পথে4 দিনের tour এ ঘুরে এলাম সিটং,তিনচুলে, দার্জিলিং.প্রায় দেড় মাস আগে টিকিট কেটে শুধু যাওয়ার দিনের অপেক্ষায় দিনগুনছিলাম, শুধুমাত্র আমিই নই আমার 5 বছরের ছেলেও..কারণ সেও বাড়িতে থেকে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিল. সেই March e গিয়েছিলাম দারিংবাডি, মান্দাসরু, গোপালপুর, পুরী. ফিরে এসে থেকে ঘর বন্দী. তাই একটা trip এর বড়োই প্রয়োজন ছিলো. ফিরে এলাম অনেক বিশুদ্ধ অক্সিজেন আর মনের মনিকোঠায় প্রকৃতির অপরূপ রূপ এর ছবি নিয়ে.
Lover's Meet Pointঅনেকেই হয়তো এই জায়গাটির নাম শোনেননি, কিন্তু হিমালয়ের আঁকাবাঁকে, আনাচে-কানাচে কত অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে যে প্রকৃতি সেজে আছে তা এই গ্রামে এলেই বুঝবেন। কালিম্পং ডিভিশনের এক ছোট্ট গ্রাম কানকেবং আপনাকে অবাক করবে, তার রূপ-লাবণ্যে।
যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসেন এবং শুধু এবং শুধুই অবসর কাটানোর ঠিকানা খুঁজছেন এবং পাহাড়ের সেই পরিচিত কাঠপোড়া গন্ধ, সবুজের নিস্তব্ধতা চান তাদের জন্যই এই লোকেশন। পাহাড়ী জীবনের মাটির স্বাদ নিতে ঘুরে আসুন কানকেবং থেকে।
যারা একবার এখানে গেছেন তারা যে সহজেই এই জায়গার সৌন্দর্যের প্রেমে পড়েছেন, বলাই বাহুল্য। কালিম্পং থেকে ঘন্টাখানেকের রাস্তা পেরিয়ে ডাউনহিলে মূলত এই গ্রাম। এছাড়াও বিভিন্ন হিমালয়ান পাখির আস্তানা এই ছোট্ট জনপদ। স্বভাবতই পাখি প্রেমীদের ক্রমেই প্রিয় ডেস্টিনেশন হয়ে উঠবে।
শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে সবুজের মাঝে দুদিন ঘুরে যেতেই পারেন এই পাহাড়ী গ্রামটিতে। আপনি যদি প্রকৃতি কে ভালোবাসেন তবে আবার ফিরে আসতে হবে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে পৌঁছতে সময় লাগে ঘন্টা চারেক। হোমস্টেটিও চমৎকার।