তাকদা, তিনচুলে, লামাহাটা দার্জিলিং শহরের ছোট্ট ছোট্ট এই গ্রামগুলি কে প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়েছে, এখানকার পাহাড়ি সৌন্দর্য যেকোনো হিল এরিয়ার সৌন্দর্যের থেকে কোন অংশে কম নয়..
দার্জিলিং থেকে তাকদা যাওয়ার পথেগুম্ফাদারা ভিউ পয়েন্ট থেকে তোলা ছবি
Get real visiting experiences from the travelers
তাকদা, তিনচুলে, লামাহাটা দার্জিলিং শহরের ছোট্ট ছোট্ট এই গ্রামগুলি কে প্রকৃতি নিজের হাতে সাজিয়েছে, এখানকার পাহাড়ি সৌন্দর্য যেকোনো হিল এরিয়ার সৌন্দর্যের থেকে কোন অংশে কম নয়..
দার্জিলিং থেকে তাকদা যাওয়ার পথে4 দিনের tour এ ঘুরে এলাম সিটং,তিনচুলে, দার্জিলিং.প্রায় দেড় মাস আগে টিকিট কেটে শুধু যাওয়ার দিনের অপেক্ষায় দিনগুনছিলাম, শুধুমাত্র আমিই নই আমার 5 বছরের ছেলেও..কারণ সেও বাড়িতে থেকে থেকে হাঁপিয়ে উঠেছিল. সেই March e গিয়েছিলাম দারিংবাডি, মান্দাসরু, গোপালপুর, পুরী. ফিরে এসে থেকে ঘর বন্দী. তাই একটা trip এর বড়োই প্রয়োজন ছিলো. ফিরে এলাম অনেক বিশুদ্ধ অক্সিজেন আর মনের মনিকোঠায় প্রকৃতির অপরূপ রূপ এর ছবি নিয়ে.
Lover's Meet Pointঅনেকেই হয়তো এই জায়গাটির নাম শোনেননি, কিন্তু হিমালয়ের আঁকাবাঁকে, আনাচে-কানাচে কত অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে যে প্রকৃতি সেজে আছে তা এই গ্রামে এলেই বুঝবেন। কালিম্পং ডিভিশনের এক ছোট্ট গ্রাম কানকেবং আপনাকে অবাক করবে, তার রূপ-লাবণ্যে।
যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসেন এবং শুধু এবং শুধুই অবসর কাটানোর ঠিকানা খুঁজছেন এবং পাহাড়ের সেই পরিচিত কাঠপোড়া গন্ধ, সবুজের নিস্তব্ধতা চান তাদের জন্যই এই লোকেশন। পাহাড়ী জীবনের মাটির স্বাদ নিতে ঘুরে আসুন কানকেবং থেকে।
যারা একবার এখানে গেছেন তারা যে সহজেই এই জায়গার সৌন্দর্যের প্রেমে পড়েছেন, বলাই বাহুল্য। কালিম্পং থেকে ঘন্টাখানেকের রাস্তা পেরিয়ে ডাউনহিলে মূলত এই গ্রাম। এছাড়াও বিভিন্ন হিমালয়ান পাখির আস্তানা এই ছোট্ট জনপদ। স্বভাবতই পাখি প্রেমীদের ক্রমেই প্রিয় ডেস্টিনেশন হয়ে উঠবে।
শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশে সবুজের মাঝে দুদিন ঘুরে যেতেই পারেন এই পাহাড়ী গ্রামটিতে। আপনি যদি প্রকৃতি কে ভালোবাসেন তবে আবার ফিরে আসতে হবে। নিউ জলপাইগুড়ি থেকে পৌঁছতে সময় লাগে ঘন্টা চারেক। হোমস্টেটিও চমৎকার।
তাজপুরে ঘুরতে গিয়েছিলাম এই আগস্ট মাসের সময়, 6জন বন্ধুমিলে। কিন্তু কয়েকজন বন্ধু যেতে পারেনি, তাদের কথা ভেবেই খারাপ লাগছিল, ঠিক করি সামনের নভেম্বরের ৮ তারিখে বেড়াতে যাব সবাই মিলে টংলু, ১রাত থাকব, বাকি যাওয়া আসা মিলিয়ে যে ছুটি দরকার তাতে আর কাওকে অতিরিক্ত ছুটি নিতে হবে না কারন শুক্রবার বিকেলে বেরিয়ে রবিবার ফেরা । ২০মিনিট কি ৩০ মিনিটের মধ্যে সবার জন্য টিকিট কেটে নেওয়া হয়েছিল। পরে সেই ১রাত থাকার বদলে দুই রাত থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।


আপনারা অনেকেই দেখছি এই pandemic এ ঘরবন্দী হয়ে বিরক্ত। আসুন একটু সুন্দরবন ঘুরে আসি ছবির মাধ্যমে। ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে চিহ্নিত এই ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট আজ না থাকলে আমরা থাকতাম না।আইলা, বুলবুল, আম্ফান এই সবের সাক্ষী এই ফরেস্ট। একাধিক বার বাঁচিয়েছে আমাদের বিপর্যয় থেকে। আমরা তার দেখাশোনা করলে ভবিষৎ এও বাঁচাবে।

