অপার সৌন্দর্যের চাবিকাঠি খুঁজতে যখন বিষ্ণুপুর যাওয়া তখন শুধুই চেয়ে থাকি,,,,, আঁখি ফিরাইতে না পারি,,,,,,,,........।
শ্যাম রাই মন্দির
Get real visiting experiences from the travelers
অপার সৌন্দর্যের চাবিকাঠি খুঁজতে যখন বিষ্ণুপুর যাওয়া তখন শুধুই চেয়ে থাকি,,,,, আঁখি ফিরাইতে না পারি,,,,,,,,........।
দার্জিলিং জেলার পূর্বে ছোট্ট একটি পাহাড়ী গ্রাম রিলিং। নেপালী ভাষাভাষী মানুষের বাস এই গ্রামে। ঘুম থেকে নীচে উপত্যকা বরাবর ২২ কিমি দূরে রিলি্ং গ্রামের অবস্থান। উচ্চতা ২৫০০ ফিট। পাহাড়ি উপত্যকার অপরুপ সৌন্দয্য এছাড়া পাহাড়ী আঁকা বাঁকা পথে হারিয়ে যেতে চাইলে চলে আসুন রিলিং।
ঘুম থেকে আসবার পথে দেখা মিলবে ছোট বড় অনেকগুলি চা বাগানের। পথে দাঁড়িয়ে সেল্ফি ও তুলে নিতে পারেন। মেরিবং, রিশিহাট, চংটং প্রভৃতি চা বাগান গুলি রিলিং যাওয়ার রাস্তাতেই মিলবে।
এছাড়া হিমা ফলস্, বিশ্বম্ভর রক তো আজকের দিনে হিমালয়ান ট্রাভেলারদের কাছে বেশ জনপ্রিয় দর্শনীয় জায়গা। খুব কাছেই পুলবাজার হাট। এই অঞ্চলের সব্জি এবং ফার্মের পশু বিক্রির জায়গা। দার্জিলিং জেলার সবচেয়ে পুরনো বাজার ও এই পুলবাজার।
এখান থেকে চমৎকার ভিউ পাওয়া যায় দার্জিলিং শহরের। রাতে সেই সৌন্দর্য যেন আরও বেড়ে যায়। সিঙ্গালিলা থেকে ট্রেক করেও রিলিং আসা যায়। ফলে যারা সান্দাকফু ট্রেক করতে আসেন তারাও আসতে পারেন এখানে।
পাশ দিয়ে বয়ে চলা রঙ্গীত নদী অসাধারণ সুন্দর এক সিনারি এঁকেছে যেন। এই নদীর পাড় বরাবার অরেঞ্জ, অ্যাপেল প্রভৃতি গার্ডেন রয়েছে অনেকগুলি। এক কথায় বিজনবাড়ী শিল্পীর তুলিতে আঁকা এক চিত্রপট যেন। পাশ দিয়ে রঙ্গীতের বয়ে চলার শব্দ আর পাখির ডাকে ঘুম ভেঙে যায় এখানে।
লাল ঝামেলা বস্তি। না না কোনো ঝামেলা করার ইচ্ছা আমার নেই।
এসেছি জয়রামবাটি, আজ অবশ্য কামারপুকুর মানে শ্রীরামকৃষ্ণের জন্মস্থান তাঁর বেড়ে ওঠার জায়গা দেখেছি, আছি জয়রামবাটিতে, হোটেল অনন্যাতে, কাল সারদামনির জন্মস্থান দেখবো, ফেরার পথে মশাটের কাছে রাবড়িগ্রাম হয়ে বাড়ি ফিরে যাবো।
মাঠ এখন হলুদ,সবুজ রঙের কোলাজ। ধান কাটা সারা হয়েছে,জমিতে আলু, হুগলি জেলার আত্মপরিচয়ের ফসল আলু। যদ্দুর চোখ যায় শুধু হলুদ আর সবুজের সমাহার।