আমি Maximum time e Bike নিয়ে Tour করি, বকখালি টা এত দিন bridge এর জন্য bike যেতে পারিনি এখন চালু হয়ে গেছে তাই ঘুরে এলাম, এই গরমে হালকা বৃষ্টি তে বেশ ভালোই লাগলো.
Henry Island
Get real visiting experiences from the travelers
আমি Maximum time e Bike নিয়ে Tour করি, বকখালি টা এত দিন bridge এর জন্য bike যেতে পারিনি এখন চালু হয়ে গেছে তাই ঘুরে এলাম, এই গরমে হালকা বৃষ্টি তে বেশ ভালোই লাগলো.
Henry Island
প্রতিটি ভারতীয় অহংকার এই ভারতীয় Railway | বাবার হাত ধরে যখন খুব ছোটবেলায় প্রথমবার ট্রেনে চেপে দার্জিলিং গেছিলাম সেদিনই যেন ট্রেনের সাথে আমার একটা ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরি হয়ে গেছিলো |
ছোটবেলায় ঋজুদার সাথে ও কৈশোরে বুদ্ধদেব গুহর সাথে বার বার করে ঘোরা -ম্যাকলস্কিগঞ্জ।উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসে থাকা 'পালামৌএর পথে'তো অনেকেরই পড়া।
কথায় আছে বাঙালির পায়ের তলায় নাকি সর্ষে, এটা সত্যি হলে আমার পায়ের তলায় তবে কাঁচের গুলি, তা নাহলে covid থেকে সুস্থ হয়েছি 14দিনও হয়নি এর মধ্যে bike করে মাইথন, হাজারীবাগ, পাত্রাতু,নেতারহাট,লোধ ওয়াটার ফলস, বেতলা, কান্তি ওয়াটার ফলস, পুরুলিয়া, আর শেষ পাতে মিষ্টির মতো ফেরার সময় ইটাচুনা রাজবাড়ী সব একসাথে(1580km)দেখার plan করতে পারি!যাইহোক নিজের কথা তো হলো এবার আসি সংক্ষেপে জায়গা গুলির কথায়, আর নড়বড়ে হাতের ও কম দামি মোবাইলে তোলা কিছু ছবি দিয়ে।
মাইথন, পুরুলিয়া নিয়ে কিছুই বললাম না, আমরা প্রথমে যাই হাজারীবাগ(অশোকনগর থেকে 390km)এখানে দেখার বিশেষ কিছুই নেই ভালো weather,বড় market, একটা ছোটো পাহাড়, ঝিল, দুটো পার্ক আছে.. হোটেল rent বেশ কম।
ওখান থেকে আমরা ছবির মতো সুন্দর পাত্রাতু dam আর পাত্রাতু ভ্যালি তে যাই(83km)দুটোই খুব ভালো লাগবে,সময় নিয়ে যাবেন dam এ নৌকা বিহার অবশ্যই করবেন।
সত্যি বলতে কোনো রকম প্ল্যানিং ছাড়া বেরিয়ে পড়তে আমার খুউব ই ভালো লাগে ।এই করোনা এর চক্করে পড়ে আমার ট্রেক টাও হচ্ছে না ,তাই এই মুহুর্তে যখন আমি বাড়িতে তখন ছোট করে একটা লং ড্রাইভে এ বেরিয়ে পড়লে মন্দ হয় না।
রাত তখন ১০ টা বাজে।হেমা ( আমার স্ত্রী) কে বললাম চলো অযোধ্যা পাহাড় টা ঘুরে আসি ।তুমি অনলাইন এ হোটেল টা বুক করো।একটু নেট এ ঘাটাঘাটি করতে কুশল পল্লি রিসোর্ট টা মনে ধরলো। আর কি ,দুজনে দুটো বাগপ্যাক আর এক সেট জমা কাপড় ,আর পুচকুটার ( আমার পোলা অর্ণব- সাড়ে চার বছর) কে বগল দাবা করে ভর সাতটায় গাড়ি স্টার্ট দিলাম।বলতে ভুলে গেছি যে আমার বাড়ি বারাকপুর এ।বলি ব্রিজ টা পাস করতে করতে জয় মা করে ডান কুনি দিয়ে লেফট মারলাম । এই রোড টা বেশ ভালো।Dankuni মার্কেট এর ভিড় টা পেরোলে রাস্তা ভালই ।হেমা কয়েকটা স্যান্ডউইচ নিয়ে এসেছিল ,সেটা মেরে দিলাম। অর্ণব জাস্ট চোখ খুললো।আমি আরো কিছুটা গিয়ে বনলতা রিসোর্ট এর সামনে একটু চা খেয়ে নিলাম তারপর জয়পুর ফরেস্ট এর মধ্যে দিয়ে গাড়ি চললো।তখন সবে পলাশ ফুল ফোটা শুরু করেছে যদিও আমরা পথে সেরকম পলাশ দেখতে পেলাম না । ব্যারাকপুর থেকে অযোধ্যা পাহাড় মোটামুটি ২৯০ কিমি।পথের বিবরণ আর তেমন দিলাম না ।